গতকাল (বুধবার, ১৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ২০২৪ সালে বাইডেন প্রশাসনের সময় ‘অন্যায়ভাবে আটক’ হওয়া এক আমেরিকান নাগরিককে ইরান ছাড়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তিনি এখন নিরাপদে ইরানের বাইরে আছেন এবং সুস্থ আছেন। ইরানের এই সদিচ্ছার প্রশংসা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।’
মানবাধিকার আইনজীবী জ্যারেড গেনসার মুক্তি পাওয়া ওই মার্কিন নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তার নাম ডেনা কারারি। এক্সে দেয়া এক পোস্টে গেনসার লেখেন, ‘ডেনা এখন নিরাপদ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছেন।’ তাকে মুক্ত করার প্রচেষ্টার জন্য তিনি ট্রাম্পকেও ধন্যবাদ জানান। তবে ইরান কারারির মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত কিংবা অস্বীকার কোনোটিই করেনি।
আরও পড়ুন:
গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে ইরানজুড়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলা চালাচ্ছে। এর মধ্যেই এই মুক্তির ঘটনা ঘটল। এদিকে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালানোর হুমকিও দিয়ে যাচ্ছেন।
তিনজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি খুলতে বাধ্য করতে চালানো এই হামলাগুলোর লক্ষ্য হলো ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা, যা যুক্তরাষ্ট্র আরও জটিল অভিযান চালানোর আগেই সম্পন্ন করতে চায়। জবাবে ইরানও কুয়েত ও জর্ডানে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫৩ বছর বয়সী ডেনা কারারি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর শিরাজে আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তার পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। তার আইনজীবী গেনসারের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, কারারিকে আটক করা না হলেও কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।





