থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডটি ঘটে গত রোববার মধ্যরাতে। ব্যাংককের চাতুচাক এলাকার ‘রং বিয়ার না লাত ফরাও’ নামের পাবটিতে আগুন লাগার সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। মুহূর্তেই একতলা ভবনটি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
ইরাওয়ান ইমার্জেন্সি মেডিকেল সেন্টার জানিয়েছে, এখনো ৩০ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪৪ জন।
কর্তৃপক্ষ মনে করছে, সিলিংয়ের একটি এসি থেকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। জরুরি বহির্গমন পথগুলো বন্ধ ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। এই পাবটিতে গত এপ্রিলেই এক দফা পরিদর্শন করা হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মঞ্চে ব্যবহৃত শব্দ নিয়ন্ত্রণকারী দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে প্রচণ্ড তাপ ও বিষাক্ত ধোঁয়ার সৃষ্টি হওয়ায় ভেতরে আটকা পড়া পাঠকদের শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে।
থাইল্যান্ডের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ভিড় এবং জরুরি বহির্গমন পথের অব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা চলছে। ২০০৯ সালে ব্যাংককের একটি নাইটক্লাবে এমনই এক আগুনে অন্তত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।





