বিবৃতিতে আহমেদিনেজাদের দপ্তর অভিযোগ করেছে, জনমতকে বিভ্রান্ত করতে এবং ইরানে অভ্যন্তরীণ বিভেদ উসকে দিতে সংবাদপত্রটি বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তিনি গৃহবন্দী রয়েছেন এমন দাবিকেও ‘অযৌক্তিক’ বলে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রচারিত সব মিথ্যা অভিযোগ আমরা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।’
নিউ ইয়র্ক টাইমস গত সোমবার তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছিল, গত কয়েক বছর ধরে মোসাদ আহমেদিনেজাদকে ইসরাইলের সঙ্গে সহযোগিতার জন্য প্ররোচিত করার চেষ্টা করেছে এবং তাকে ইরানের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে বিবেচনা করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরাইল গোপনে আহমেদিনেজাদের আবাসন ও ভ্রমণ খরচ বহন করেছে এবং বুদাপেস্টসহ বিদেশের মাটিতে কয়েকবার তার সঙ্গে মোসাদ কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের শুরুর দিকে আহমেদিনেজাদকে তেহরান থেকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছিল ইসরাইলি গোয়েন্দারা। সেদিন তার কম্পাউন্ডে ইসরাইলি বিমান হামলায় তার দেহরক্ষীদের ব্যবহৃত একটি ভবন ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়। চারজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, হামলার পর একটি কালো প্লেইন কারে করে তাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল, যার চালক ছিলেন মোসাদ সদস্যরা।
২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা আহমেদিনেজাদকে গত সপ্তাহে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে দেখা যায়। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি।





