এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান গৃহযুদ্ধে ভেঙে পড়েছে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। এবার দেশটির জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া কলেরা প্রাদুর্ভাব।
হাসপাতালগুলোতে দিন দিন বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। কিন্তু ওষুধসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পর্যাপ্ত না থাকায় ব্যাঘাত ঘটছে চিকিৎসা সেবায়। এরপরও দিন রাত এক করে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। চিকিৎসকরা বলছেন, গৃহযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তার অভাবে ফের মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে কলেরার প্রাদুর্ভাব।
তাইজ স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখপাত্র আয়সির আল-সামাই বলেন, দেশজুড়ে একাধিক রোগ ও রোগের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে কলেরা অন্যতম। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক সাহায্যের ঘাটতির কারণে কলেরা রোগটি আরও তীব্র হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ইয়েমেনে ৫,০০০ সন্দেহভাজন কলেরা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে এবং রোগটিতে ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আর কলেরার হটস্পটে পরিণত হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা তাইজ।
প্রথম দুই দিন তীব্র ডায়রিয়া ছিল। পরে তৃতীয় দিনে প্রচণ্ড বমি শুরু হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে হাসপাতালে আসি। এরপর চিকিৎসক জানালো, আমি কলেরায় আক্রান্ত।
সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের কলেরা আক্রান্ত দেশের দিক থেকে ৭ম অবস্থানে ইয়েমেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত দেশটিতে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় ও অনিরাপদ পানির উৎসের কারণে বাড়ছে কলেরা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।





