নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘টুইকার্স’-এর টমাস হোচস্টেনবাখ বলেন, ‘আমরা আসলে ইলেকট্রনিক পণ্যের দাম কমার বিষয়েই অভ্যস্ত ছিলাম। কিন্তু এখন আপনি সম্ভবত এক বছর আগের তুলনায় আরও নিম্নমানের পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।’
টুইকার্সের প্রাইসওয়াচ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেমোরির পরিমাণের ওপর নির্ভর করে গ্রাহকদের এখন ৫০, ১০০ বা ২০০ ইউরো পর্যন্ত বাড়তি গুণতে হচ্ছে। যেমন স্যামসাং গ্যালাক্সি এ সিরিজের মডেলগুলোর দাম গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ ইউরো বেড়েছে, যদিও এগুলোর স্পেসিফিকেশন ও মেমোরি প্রায় একই। একইভাবে প্লে-স্টেশন ৫-এর দাম বছরের শুরুর তুলনায় ১০০ ইউরো বেড়েছে।
আরও পড়ুন:
মাইক্রোসফটও আগামী আগস্ট থেকে নেদারল্যান্ডসে এক্সবক্স কনসোলের দাম ৫০ ইউরো বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, উইন্ডোজ ল্যাপটপ নির্মাতারা দাম অপরিবর্তিত রাখতে ১৬ জিবি মেমোরির বদলে ৮ জিবি মেমোরি দিচ্ছে, যার ফলে গ্রাহকরা একই দামে কম শক্তিশালী ল্যাপটপ পাচ্ছেন। অ্যাপলও গত মাসে তাদের ল্যাপটপের দাম অন্তত ১০০ ইউরো বাড়িয়েছে।
শীর্ষ চিপ নির্মাতারা ধারণা করছেন, এআইয়ের চাহিদা বাড়তে থাকায় এই সংকট আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রন জানিয়েছে, অন্তত ২০২৮ সাল পর্যন্ত চিপ সরবরাহে এই সীমাবদ্ধতা বজায় থাকতে পারে।




