ট্রাকে করে মাঠে ফেলা হচ্ছে ভেনেজুয়েলার জোড়া ভূমিকম্পের ধ্বংসাবশেষ। আর লোকজন সেসব ধ্বংসস্তূপ থেকে খুঁজে ফিরছেন ব্যবহারযোগ্য বিভিন্ন জিনিস। তাদের আশা যদি কোন মূল্যবান জিনিস পায় তাহলে তা বিক্রি করে একদিনের খাবারের নিশ্চয়তা করা।
প্রতিদিনই ট্রাক থেকে ধ্বংসাবশেষ নামাচ্ছেন শ্রমিকরা। আর স্থানীয়রা হাজির হয়ে যায় ব্যাগ নিয়ে। কাঙ্ক্ষিত জিনিস পাওয়ার আশায়। যদি তা বিক্রির করে কিছু অর্থ পাওয়া যায়।
শ্রমিকরা জানান, এমন যেকোনো ছোটখাটো ভালো কিছুর সন্ধান করছিলাম যা থেকে টাকা আয় করা যায়। কারণ পরিস্থিতি খুবই খারাপ। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, সব জায়গা থেকে সাহায্য এসেছে এবং তারই বদৌলতে বেঁচে গেছি।
এদিকে, ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে কন্যা ও নাতনি হারানোর শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারছেন না এক বাসিন্দা। এমনকি উদ্ধার প্রচেষ্টা নিয়ে হতাশা তিনি।
আরও পড়ুন:
ভেনেজুয়েলার বাসিন্দারা জানান, ওরা টার্মিনাল থেকে একবারও বের হয়নি। দুজন সেখানেই ছিল। ওদের কত স্বপ্ন, কত পরিকল্পনা ছিল। আর এক মিনিটেরও কম সময়ে তার সবকিছু ভেস্তে গেলো।
এদিকে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, ভেনিজুয়েলার ২০২৬ সালের ৬৩২ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা পরিকল্পনায় ভূমিকম্পের আগে প্রায় ১১৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ হয়েছিল। তবে ভূমিকম্পের পর তা বেড়ে ৩০০ মিলিয়ন ডলার হয়েছে।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে। প্রথম তিন মাসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আশ্রয় নেয়া ৫ লাখ মানুষকে সহায়তা করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আর্থিক সহযোগিতা পেলে ১০ লাখ মানুষের কাছে তা পৌঁছানো সম্ভব হবে।
এরইমধ্যে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে চারদিনের





