যুক্তরাষ্ট্রের কলরাডোর-উতাহ সীমান্তে দাউ দাউ করে জ্বলছে দাবানল। পুড়ে গেছে প্রায় ২৮ হাজার একর বনভূমি। গত শনিবার (২৭ জুন) সকালে উতাহর গ্র্যান্ড কাউন্টিতে কৃষিজমির কাছ থেকে শুরু হওয়া আগুন পরে কলোরাডোর মেসা কাউন্টিতে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে জোন্স ও নোলস নামে আরও দু’টি দাবানলের সঙ্গে মিলিত হয়ে স্নাইডার দাবানল আরও বড় আকার ধারণ করে। আগুনের ঝুঁকিতে মেসা কাউন্টির কয়েকটি ছোট জনপদের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জারি রয়েছে জরুরি সতর্কতা।
আগুন নিয়ন্ত্রণে করতে গিয়ে হতাহত হয়েছেন কয়েকজন দমকলকর্মী। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় জরুরি দুর্যোগ ঘোষণা করেছেন কলোরাডোর গভর্নর জ্যারেড পলিস। সহায়তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে কলোরাডো ন্যাশনাল গার্ড। তবে আগুনের এক শতাংশও এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন:
এদিকে তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজমির প্রদেশের চানদারলি এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে দাবানল। কৃষিজমিতে শুরু হওয়া আগুন পরে বনাঞ্চলে ছড়িয়ে আবাসিক এলাকার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে সাতটি উড়োজাহাজ, আটটি হেলিকপ্টার এবং ৩৫টি ফায়ার ট্রাক মোতায়েন করা হয়েছে। আকাশ থেকে পানি ছিটিয়ে আগুনের বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দমকলকর্মীরা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলসহ বিশ্বের অনেক এলাকায় গ্রীষ্মকাল আরও উষ্ণ ও শুষ্ক হয়ে উঠছে। ফলে দাবানলের সংখ্যা ও তীব্রতা বাড়ছে। জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে আগুনের ক্ষয়ক্ষতি এবং মানুষের জীবনের ওপর এর প্রভাবও আগের তুলনায় অনেক বেশি।




