ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান সর্বোচ্চ স্তরের পরমাণু পরিদর্শনে পুরোপুরি সম্মত হয়েছে। তারা যদি এতে রাজি না হতো, তবে সামনে আর কোনো আলোচনা চলতো না।’ তিনি আরও জানান, ইরানের কাছ থেকে ‘অন্যান্য বড় ধরনের ছাড়’ পাওয়ার বিনিময়েই তিনি হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। তবে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজনে পুনরায় অবরোধ আরোপের জন্য সব যুদ্ধজাহাজ আগের অবস্থানেই রাখা হয়েছে। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে অবরোধ আরোপের সম্ভাবনা খুবই কম বলে তিনি মনে করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেছেন যে, ইরানের জন্য অবমুক্ত করা তহবিল এবং নিষেধাজ্ঞার অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা ‘এসক্রো অ্যাকাউন্টে’ জমা রাখা হবে। এই অর্থ দিয়ে তেহরান কেবল যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে খাদ্য ও ওষুধ সামগ্রী কিনতে পারবে। ট্রাম্প বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এই অর্থ দিয়ে ইরানের ‘মহান মার্কিন কৃষকদের’ কাছ থেকে ভুট্টা, গম এবং সয়াবিন কিনতে হবে।





