চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘ব্রিগেডিয়ার আজমীসহ অনেক বন্দীকে এই সেলে দিনের পর বন্দি রাখা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআইয়ের এই জেআইসি সেলে এনে নির্যাতন করা হয়েছিল। হুম্মাম কাদের চৌধুরীকেও জেআইসি সেলে বন্দি রাখা হয়েছিল। তার বর্ণনার সঙ্গে তাকে বন্দি রাখা রুমের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।’
তিনি বলেন, ‘গুমের সঙ্গে জড়িত ডিজিএফআইয়ের কর্মকতাদের বিচার চলছে, ভবিষ্যতেও যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।’
অসৎ উদ্দেশে আয়নাঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করেছিল। সরকারের অসৎ উদ্দেশে এই আয়নাঘর নামিও টর্চারসেল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ভিন্নমতের অনেক ভিকটিমদের মাসের মাস, বছরের পর বছর এই টর্চার সেলে আটকে রাখা হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর অনেক জায়গায় আলামত নষ্ট করা হয়েছে, ওয়াল দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে। অসংখ্য তথ্য প্রমাণ নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।’
যেকোনো বিচারকের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আইনগত বৈধতা রয়েছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর। বলেন, ‘এই পরিদর্শন ন্যায় বিচারের জন্য গুরুত্ব বহন করবে। ডিজিএফআইয়ের এই জেআইসি সেলে ২৬টি সেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।’
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।




