রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ (বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন) রাতভর তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিভিন্ন অঞ্চলে ৫৫৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০টি ড্রোন রুশ রাজধানীর দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় বাধা দেয়া হয়।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন বলেন, বেশ কয়েকটি ড্রোন একটি তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। এছাড়া একটি শপিং সেন্টারও সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ড্রোন হামলার পর শোধনাগারটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ফলে দেশটির জ্বালানি সংকট আরও প্রকট হচ্ছে।
ড্রোন হামলার জেরে মস্কোর সবচেয়ে ব্যস্ত শেরেমিয়েতিয়েভো বিমানবন্দর তাদের ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করে লোকজনকে সরিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে কিয়েভ লক্ষ্য করে রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে কিয়েভে রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ১১ জন নিহত এবং ইউনেস্কো স্বীকৃত ১ হাজার বছরের পুরোনো একটি মঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও রাশিয়া মঠটিতে হামলার খবর অস্বীকার করেছে।
গত চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর আলোচনার চাপ তৈরি করতে কাজ করছেন জেলেনস্কি। তিনি জানান, যুদ্ধ বন্ধের উপায় নিয়ে আলোচনার জন্য তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জি-৭ দেশের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
জি-৭ নেতারা ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার এবং রাশিয়ার তেল ও গ্যাস খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুদ্ধ বন্ধে তিনি যা যা করা সম্ভব, তার সবই করবেন। জেলেনস্কি জানান, জি-৭ থেকে তিনি আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ এবং উৎপাদনের লাইসেন্সসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন।





