আগামী গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১১ জুন) ‘ইউক্রেন ডিফেন্স কন্টাক্ট গ্রুপ’ বা রামস্টেইন গ্রুপের বৈঠকে এই অনুরোধ জানানো হবে। ৫০টিরও বেশি দেশের এই জোট মূলত ইউক্রেনের জন্য আর্থিক ও সামরিক সহায়তার সমন্বয় করে থাকে। ইউক্রেনীয় সূত্রটি বলেছে, ‘যুদ্ধের ময়দানে আমাদের সামনে ছয় থেকে নয় মাসের একটি সুযোগের জানালা তৈরি হয়েছে, যার জন্য জরুরিভিত্তিতে তহবিল বাড়ানো প্রয়োজন।’
ইউক্রেনের ড্রোন বাহিনী বর্তমানে রাশিয়ার সামরিক সরবরাহ পথ ও লজিস্টিকসে ব্যাপক হামলা চালিয়ে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রাকে কার্যত থামিয়ে দিয়েছে। এছাড়া কিয়েভের দূরপাল্লার ড্রোন হামলা রাশিয়ার জ্বালানি খাতেরও ব্যাপক ক্ষতি করছে। যদিও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন যে তাদের বাহিনী এখনো প্রতিদিন অগ্রসর হচ্ছে, তবে তিনি ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ২০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য প্রতিটি মিত্রদেশের কাছে ২ বিলিয়ন থেকে ৬ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সহায়তা বা ঋণ চাওয়া হবে। এই তহবিলের মাধ্যমে ইউক্রেন তার সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়িয়ে রাশিয়ার ওপর চাপ বজায় রাখতে চায়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো প্রথম এই খবরটি প্রকাশ করে।





