প্রতিবেদনে জানানো হয়, নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে ট্রাম্প তাকে ‘বিচক্ষণতা’ বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। ট্রাম্প তাকে বলেন, ‘আমরা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও চমৎকার চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’ মূলত ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির কথা মাথায় রেখেই তিনি নেতানিয়াহুকে সংযত থাকার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিবিসি ট্রাম্পের কাছে জানতে চেয়েছিল, গত রোববার ইরানে হামলা চালিয়ে নেতানিয়াহু কি তার নির্দেশ অমান্য করেছেন? জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যখন তার সঙ্গে কথা বলি, মিসাইলগুলো তখন পথেই ছিল।’ অর্থাৎ হামলা শুরু হওয়ার পর তাদের মধ্যে কথা হয়েছে। নেতানিয়াহুর ওপর নিজের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি তাকে কোনো কিছু করতে বললে সে তা করে।’
অবশ্য অতীতের ঘটনাগুলো অন্যরকম ইঙ্গিত দেয়। এর আগে লেবাননের বৈরুতসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা না চালাতে ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু নেতানিয়াহু সেই হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেই নিজ সিদ্ধান্তে হামলা চালিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। রোববারের এই হামলা এবং ট্রাম্পের বক্তব্য সেই টানাপোড়েনকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এলো।





