ইইউর পরিধি বাড়ানোর সময় এসেছে—ফ্রিডরিখ মের্ৎস

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস | ছবি: রয়টার্স
0

ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) অবশ্যই নতুন সদস্য গ্রহণ করার সদিচ্ছা ও সক্ষমতা দেখাতে হবে বলে জানিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। আজ (শুক্রবার, ৫ জুন) মন্টিনিগ্রোর উপকূলীয় শহর তিভাতে পশ্চিম বলকান দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর থেকে ইইউর পরিধি বাড়ানোর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কিয়েভ ইউরোপের রাজনৈতিক মূলধারায় যুক্ত হতে আগ্রহী, অন্যদিকে ইইউ কর্মকর্তারাও চাইছেন জোটের বিস্তার ঘটিয়ে প্রতিবেশী অঞ্চলে ভিনদেশি শক্তির প্রভাব কমাতে। তবে ইইউতে যোগদানের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দীর্ঘ ও জটিল। প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করতে বর্তমান ২৭টি সদস্য দেশেরই অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।

সম্মেলনে ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দেখাতে হবে যে তারা বড় হওয়ার সামর্থ্য রাখে। এ বিষয়ে আমাদের এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে হবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘বিগত ১৩ বছর ধরে আমরা কোনো নতুন সদস্য গ্রহণ করিনি। এটি প্রমাণ করে যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও কিছু ঘাটতি ছিল। তবে এটি পরিষ্কার হওয়া উচিত যে, ইউরোপের এই অংশটিও (বলকান অঞ্চল) ইইউর ভবিষ্যতের অংশ।’

বর্তমানে পশ্চিম বলকানের ছয়টি দেশ—আলবেনিয়া, বসনিয়া, সার্বিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর ম্যাসিডোনিয়া এবং কসোভো ইইউতে যোগ দিতে চায়। এর মধ্যে মাত্র ৬ লাখ ৩০ হাজার জনসংখ্যার দেশ মন্টিনিগ্রোকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যদিও ২০২৮ সালের মধ্যে সদস্যপদ পাওয়ার লক্ষ্যটি তাদের জন্য বেশ কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সম্মেলনের আগে জার্মানি ও ফ্রান্স প্রস্তাব দিয়েছে যে, পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার আগেই আগ্রহী দেশগুলোকে ইইউর বিভিন্ন কর্মসূচি ও একক বাজারে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়া উচিত। এ ছাড়া গত মাসে মের্ৎস পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, পূর্ণ সদস্য হওয়ার আগে ইউক্রেনকে ‘অ্যাসোসিয়েট মেম্বার’ বা সহযোগী সদস্যের মর্যাদা দেয়া যেতে পারে। এর ফলে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা ইইউর শীর্ষ সম্মেলন ও মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে পারবেন, তবে কোনো ভোটাধিকার থাকবে না।

এএম