গেল বছরের জুলাইয়ে খবর আসে ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিয়েন্সি নামে একটি শিরার রোগে ভুগছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেসময় তার হাতে কালশিটে দাগ ও পা ফোলার ছবি বিশ্বে ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে চারিদিকে উদ্বেগের জন্ম দেয়। প্রশ্ন জাগে বিশ্ব দাপিয়ে বেড়ানো ট্রাম্প কি তাহলে পরাস্ত হচ্ছেন নিজের স্বাস্থ্যগত জটিলতার কাছে।
তবে সব শঙ্কার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার ট্রাম্পের বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে একটি বার্তা দেয় হোয়াইট হাউজ। জানানো হয়, ট্রাম্পের হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, স্নায়ুতন্ত্রসহ অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় উপাদান ভালো রয়েছে এবং তিনি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পুরোপুরি সক্ষম।
আরও পড়ুন:
কিন্তু ট্রাম্পের ওজন নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের চিকিৎসক ক্যাপ্টেন শন বারবারাবেলা। কেননা, এবারের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ট্রাম্পের ওজন গেলবারের চেয়ে প্রায় ৭ কেজি বেড়েছে। একারণে চিকিৎসক তাকে খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখা এবং ব্যায়াম করা ও ওজন কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
এছাড়াও, বার্তাতে গেল বছরে ট্রাম্পের শরীরে বাসা বাধা ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিয়েন্সি রোগের ফলোআপ রয়েছে। চিকিৎসক জানান, গত বছরের তুলনায় অবস্থার উন্নতি হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাম্পের হাতের কালশিটে দাগের কারণও ব্যাখ্যা করেন চিকিৎসক। জানান, হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য অ্যাসপিরিন সেবনকালে ঘন ঘন হ্যান্ডশেকের কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়। অ্যাসপিরিন ছাড়াও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে দুটি ওষুধ খান ট্রাম্প। যদিও চিকিৎসক বলছে, বয়সের চেয়েও মার্কিন প্রেসিডেন্টের হৃদরোগের কার্যক্ষমতা দারুণ।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিয়ে গেল মঙ্গলবার ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য যান ট্রাম্প। এরপর ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, সবকিছু ঠিক আছে। আগামী মাসে ৮০ বছরে পা দেবেন তিনি।





