গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে চীন নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করলেও তাইপেই সরকার সব সময় তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে। চলতি মাসে বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের পর তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে বেইজিং সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করায় সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে তাইপেই।
দক্ষিণ তাইওয়ান ও হংকংয়ের মাঝামাঝি অবস্থিত প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জটি তাইওয়ানের মূল ভূখণ্ড থেকে ৪০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে হওয়ায় এটি চীনা আক্রমণের ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তাইওয়ানের কোস্টগার্ড জানায়, গত শনিবার তারা প্রাতাস দ্বীপের দিকে একটি চীনা কোস্টগার্ড জাহাজ আসতে দেখে অবিলম্বে নিজেদের জাহাজ পাঠায় এবং রেডিওর মাধ্যমে দুই পক্ষ সার্বভৌমত্ব নিয়ে তীব্র বাগযুদ্ধে লিপ্ত হয়।
চীনা জাহাজটি রেডিও বার্তায় দাবি করে, তারা একটি নিয়মিত অভিযানে রয়েছে এবং প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জের ওপর চীনের সার্বভৌমত্ব ও এখতিয়ার রয়েছে। জবাবে তাইওয়ানের জাহাজ থেকে প্রচার করা হয়, ‘অনুগ্রহ করে শান্তি বিনষ্ট করবেন না। আপনাদের ফিরে যাওয়া উচিত এবং গণতন্ত্রের জন্য প্রচেষ্টা চালানো উচিত। নিজের দেশের সেবা করার এটাই সঠিক উপায়।’ তবে এই বিষয়ে চীনের তাইওয়ান বিষয়ক দপ্তর থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তাইওয়ানের কোস্টগার্ডের একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, প্রাতাস দ্বীপের এত কাছাকাছি এসে সার্বভৌমত্ব দাবি করা এবং দীর্ঘ সময় অবস্থান করার এই ঘটনাটি বেশ অস্বাভাবিক। এর আগে গত শুক্রবার রাতেও এই দ্বীপের কাছাকাছি এলাকা থেকে ‘তংজি’ নামের একটি চীনা গবেষণা জাহাজকে চলতি মাসে দ্বিতীয়বারের মতো তাড়িয়ে দেয়ার দাবি করেছে তাইওয়ান।





