কানাডা জানিয়েছে, আটক থাকা তাদের নাগরিকদের ওপর ‘ভয়াবহ নির্যাতনের’ তথ্য তারা পেয়েছে। জার্মানি ও স্পেনও জানিয়েছে, তাদের কয়েকজন নাগরিক আহত হয়েছেন। ত্রাণবহরটির আয়োজকেরা অভিযোগ করেছেন, আটক থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। আটক থাকা আরও কয়েকজন অভিযোগ করেন, তাদের মারধর ও দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বিবিসি। ইসরাইলের কারা কর্তৃপক্ষ অভিযোগগুলোকে মিথ্যা বলে দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য, সব আটক ব্যক্তিকে আইন অনুযায়ী রাখা হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীও অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বিবিসিকে বলেছে, ত্রাণবহরের অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে ‘সম্মানজনক ও উপযুক্ত আচরণ’ করার নির্দেশনা তাদের রয়েছে।
গত সপ্তাহে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র ৫০টির বেশি নৌযান তুরস্ক থেকে যাত্রা শুরু করে। গাজার ওপর ইসরাইলের সমুদ্র অবরোধ ভেঙে খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছে দেয়াই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। ইসরাইল সরকার এ উদ্যোগকে হামাসের পক্ষে ‘জনসংযোগ কৌশল’ বলে অভিহিত করে। এরপর সোমবার ও মঙ্গলবার সাইপ্রাসের পশ্চিমে নৌযানগুলোতে অভিযান চালায় ইসরাইলি কমান্ডোরা।
আটক কর্মীদের ইসরাইলি জাহাজে স্থানান্তরের পর আশদোদ বন্দরে নেয়া হয়। পরে তাদের একটি কারাগারে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার ৪১ দেশের ৪২২ জনকে ইসরাইল থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের অনেকে এরই মধ্যে নিজ নিজ দেশে পৌঁছেছেন। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ শুক্রবার বলেন, ‘ইসরাইলে আটক কানাডীয় নাগরিকদের ওপর ‘‘ভয়াবহ নির্যাতনের’’ তথ্য তারা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পেয়েছেন।’ তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।
তিনি বলেন, ‘ইসরাইলে কানাডীয়দের সঙ্গে গুরুতর দুর্ব্যবহারের ঘটনায় কানাডা দ্ব্যর্থহীনভাবে নিন্দা জানাচ্ছে। এ ধরনের জঘন্য আচরণের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’





