মাজিদ তাখত-রাভানচি জানান, লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে বৈরিতা অবসানের নিশ্চয়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র এই বিশেষ মেকানিজম বা ব্যবস্থা গ্রহণে সম্মত হয়েছে। এর ফলে ইসরাইল যদি লেবাননে পুনরায় হামলা চালায় বা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে, তবে চুক্তির আওতায় তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ থাকবে।
এদিকে ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরি ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। আলোচনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মাধ্যমে ইসরাইলকে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ এবং দখলকৃত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারে বাধ্য করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুকে লেবানন ইস্যুতে আরও ‘দায়িত্বশীল’ হওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, ওই অঞ্চলে ইসরাইলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তিনি পছন্দ করছেন না।





