সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে জেলেনস্কি বলেন, ‘রুশ তেল শোধনাগারের ওপর ইউক্রেনের পক্ষ থেকে এটি আরও একটি দূরপাল্লার নিষেধাজ্ঞা। আমাদের এই পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।’ তিনি আরও জানান, এবারের লক্ষ্যবস্তু সিজরান তেল শোধনাগারটি ইউক্রেন সীমান্ত থেকে ৮০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত। এ সময় জেলেনস্কি একটি ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে দেখা যায় শোধনাগারটি থেকে আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়া আকাশে ছড়িয়ে পড়ছে।
এদিকে সামারা অঞ্চলের স্থানীয় গভর্নর জানিয়েছেন, সিজরান শহরে ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। তবে অবকাঠামোগত কোনো ক্ষতির বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি। ইউক্রেনের আনম্যানড সিস্টেমস ফোর্সেস জানায়, হামলার ফলে শোধনাগারটিতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। এই শোধনাগারটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৭০ থেকে ৮৯ লাখ টন অপরিশোধিত তেল।
ইউক্রেনীয় ড্রোন বাহিনীর কমান্ডার রবার্ট ব্রোভদি জানান, চলতি মে মাসে রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করে ইউক্রেন যে অভিযান চালাচ্ছে, এটি ছিল তার ১১তম লক্ষ্যবস্তু। ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে এই হামলাগুলো চালিয়ে যাচ্ছে।





