আজ (শনিবার, ১৬ মে) ভোরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’–এ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘আল-মিনুকি আইএসের বৈশ্বিক কার্যক্রমের দ্বিতীয় প্রধান ছিলেন।’ ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘তিনি আর আফ্রিকার মানুষকে আতঙ্কিত করতে পারবেন না কিংবা আমেরিকানদের লক্ষ্য করে কোনো হামলার পরিকল্পনাও করতে পারবেন না।’ এই নেতার মৃত্যুতে আইএসের বৈশ্বিক কার্যক্রম ‘ব্যাপকভাবে হ্রাস’ পাবে বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
অভিযানটি সফল করতে সহযোগিতার জন্য নাইজেরিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ তিনুবু এই যৌথ অভিযানকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘কার্যকর সহযোগিতার এক উল্লেখযোগ্য উদাহরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনুবু জানান, লেক চাদ অববাহিকায় আল-মিনুকির আস্তানায় চালানো ওই হামলায় তার আরও বেশ কয়েকজন সহযোগী নিহত হয়েছেন।
এর আগে নাইজেরিয়ায় ইসলামপন্থি জঙ্গিদের হাতে খ্রিষ্টানদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। নাইজেরিয়া সরকার এসব সহিংসতা বন্ধে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। অবশ্য নাইজেরিয়া কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ওই অভিযোগের পরপরই গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গিদের আস্তানায় হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
নাইজেরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই বোকো হারাম ও ‘ইসলামিক স্টেট অব ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রভিন্স’–সহ বেশ কিছু সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। আল-মিনুকির নিহতের মধ্য দিয়ে দেশটিতে জঙ্গি দমনে বড় ধরনের অগ্রগতি হলো বলে মনে করা হচ্ছে।





