আহমদ বালুত ছাড়াও এই হামলায় হিজবুল্লাহর নাসের ইউনিটের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আলী বাজি এবং আকাশ প্রতিরক্ষা পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা হোসেন হাসান রোমানিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই হিজবুল্লাহ ইরানের কাছ থেকে বিপুল আর্থিক ও সামরিক সহায়তা পেয়ে আসছে। তেহরান এখনো এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধান মিত্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।





