মুজতবা খামেনি বলেন, ‘ইরানিরা দেশের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে তাদের জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে। তারা দেশের জল, স্থল ও আকাশসীমার মতো এই সম্পদকেও অতন্দ্র প্রহরীর মতো রক্ষা করবে।’
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন যখন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধের শর্তে শান্তি চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছে, তখন খামেনির এই মন্তব্য সরাসরি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানেরই নামান্তর। তেহরান মনে করছে, তাদের এই সামরিক শক্তিই দেশটিকে বিদেশি আগ্রাসন থেকে সুরক্ষা দিচ্ছে, তাই এ নিয়ে কোনো আপস করা সম্ভব নয়।




