নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের ২৩৪টি নির্বাচনি এলাকায় মোট ৫ কোটি ৭৩ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪ কোটি ১ লাখ ভোটার বিকেল ৩টার মধ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ১৭.৬৯ শতাংশ এবং পরবর্তী দুই ঘণ্টায় আরও ১৯.৮৭ শতাংশ ভোট পড়ে। বেলা ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৩.১৯ শতাংশ। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিরুধুনগর, ভিলুপুরম, তিরুভান্নামালাই, তিরুপ্পুর, কাঞ্চিপুরমসহ বেশ কিছু জেলায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে তিরুপ্পুর জেলার কাঙ্গায়াম কেন্দ্রে ভোট পড়েছে সর্বোচ্চ ৭৮ শতাংশের বেশি।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ২০ বছর পর এবার রাজ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদের একটি নিবিড় কার্যক্রম চালানো হয়। এর ফলে প্রায় ৭৪ লাখ অযোগ্য ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ২ লাখ থেকে কমে ৫ কোটি ৭৩ লাখে দাঁড়িয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, জাল ভোটার বাদ যাওয়ার কারণেই এবার ভোটের হারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
এর আগে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ৭৩.৬৩ শতাংশ ভোট পড়েছিল। বর্তমান নির্বাচনের এই হার ২০০৬ সালের নির্বাচনের স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে, যখন ভোটার তালিকা সংশোধনীর পর ভোট প্রদানের হার নাটকীয়ভাবে বেড়েছিল।





