৪০ দিনের মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলার ক্ষত এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন ইরানের লাখ লাখ মানুষ। এরই মধ্যে বুধবার শেষ হচ্ছে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। সমঝোতার জন্য ওয়াশিংটন-তেহরানের রূপরেখা চূড়ান্ত না হওয়ায় ফের তাড়া করছে যুদ্ধ আতঙ্ক।
ইতোমধ্যেই বিমান হামলা ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার লাখ লাখ মানুষ। তবে যুক্তরাষ্ট্র আবারও যুদ্ধ করলেও বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করতে পারবে না তা বুঝে গেছেন ইরানের সাধারণ মানুষ। এমনকি শাসকগোষ্ঠী দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও আর নেই বলে মনে করছেন থিঙ্ক ট্যাঙ্কের ইরান বিষয়ক বিশ্লেষক।
থিঙ্ক ট্যাঙ্কের ইরান বিষয়ক বিশ্লেষক ওমিদ মেমারিয়ান বলেন, অনেক ইরানি ইতোমধ্যেই বুঝতে পেরেছে যে, যুদ্ধ করে শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করা যাবে না। তবে যুদ্ধ তাদের জীবনকে অর্থনৈতিকভাবে আরও দুর্বিষহ করে তুলবে। সরকার বা ইরানের শাসকগোষ্ঠী, তাদের পদ ছেড়ে রাশিয়া বা অন্য কোনো দেশে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও নেই।
আরও পড়ুন:
এ অবস্থায় আবার যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের উন্নত ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ফিকে হওয়ার শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানের রাজনৈতিক বিশ্লেষক হোসেইন রাসসাম বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি উন্নত ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। কিন্তু তার পরিবর্তে ইরানিরা পেয়েছে অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি। তাই আমি মনে করি, অর্থনৈতিকভাবে, অনেক মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে আছে।
এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের ভালোর জন্য ইরানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থা পক্ষে এবং বিপক্ষের সব জনগণেরই হিসেব মেলানোর সময় এসেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সমর্থন করেন না এমন জনগণ ইতোমধ্যে বুঝে গেছেন, তাদের প্রত্যাশা পূরণে যুদ্ধ করবে না যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন তাদের উদ্দেশ্য হাসিলেই মরিয়া।





