নিরাপত্তা নিয়ে নাটকীয়তা
এই সফর নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন মাত্র আজ (রোববার, ১৯ এপ্রিল) এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। প্রথমে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ জানান, জেডি ভ্যান্স প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। এর পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প এবিসি নিউজকে বলেন, পর্যাপ্ত সময়ের অভাবে সিক্রেট সার্ভিস নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না, তাই ভ্যান্স যাচ্ছেন না। তবে সবশেষ হোয়াইট হাউস থেকে সিএনএন-কে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে এবং জেডি ভ্যান্সই আজ রাতে ইসলামাবাদ যাচ্ছেন।
প্রতিনিধিদলে যারা থাকছেন
ভাইস প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে এই শক্তিশালী প্রতিনিধিদলে আরও থাকছেন ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। জ্যারেড কুশনার এর আগে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
আলোচনার লক্ষ্য ও ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি
প্রতিনিধিদল পৌঁছানোর এবারের বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য হলো আগামী ২২ এপ্রিল বুধবার শেষ হতে যাওয়া ১০ দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি একটি আলোচনার রূপরেখা বা ‘ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট’ তৈরি করা।
এদিকে আলোচনার প্রাক্কালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেয়া এক পোস্টে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি লিখেছেন, ‘আমরা অত্যন্ত ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত একটি চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছি। আমি আশা করি তারা (ইরান) এটি গ্রহণ করবে। কারণ যদি তারা এটি না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু গুঁড়িয়ে দেবে।’ ইসলামাবাদের এই বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে কতটা ফলপ্রসূ হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।





