আল-আতিফি বলেন, ‘জায়নবাদী ও মার্কিন শত্রুদের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত ফ্রন্টগুলোর ঐক্যকে সামনে এনেছে এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে।’
গত মার্চের শেষ দিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে জড়িয়ে পড়ে ইয়েমেনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠী। তারা ইসরাইলকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালায়, যা মধ্যপ্রাচ্য সংকটে একটি নতুন ফ্রন্ট খুলে দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
হুথিরা অঙ্গীকার করেছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত এই যুদ্ধ বন্ধ না হবে, ততক্ষণ তারা তাদের অস্ত্রভাণ্ডার ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের স্পর্শকাতর সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে যাবে। একই সঙ্গে তারা লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটানোর হুমকিও দিয়ে আসছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার সমান্তরালে লোহিত সাগরে হুথিদের এই অবস্থান বৈশ্বিক জাহাজ চলাচলের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়াতে তারা যেকোনো সময় নতুন করে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে।





