ইরানিয়ানরা এ দ্বন্দ্বের শুরু থেকেই বলে আসছে যে, গত কয়েক বছর যাবৎ হওয়া উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের দ্বারা একটি আদেশ জারি ছিল যে, ইরান তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কাজ করবে না। তারা জেনেভা এবং ওমানে এর সঙ্গে সম্মত হওয়ার অনেক কাছেই ছিল। তবে এরপরই তাদের ওপর হামলা করা হয়।
এর জেরে বিশ্বাস ভেঙে গেছে, যা তারা পুনরায় জোড়া লাগাতে চেষ্টা করছে। তবে এই মুহূর্তে এমন বক্তব্য এবং আলোচনা না করেই হুমকি দিয়ে প্রস্থান করা নিশ্চিতভাবেই এই বিভেদ দূর করবে না।
আরও পড়ুন:
এ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, ইরানকে তাদের দিক থেকে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে এবং সম্ভবত সবার সামনে তুলে ধরতে হবে যে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে ঠিক কী শর্ত দিয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনোকিছুই নিশ্চিত নয়।
এমন অনেকেই আছে যারা এ দ্বন্দ্বের সমাপ্তি চায় না। তারা মনে করেন তারা এগিয়ে আছেন। তারা বিগত প্রায় ৬ সপ্তাহ যাবৎ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় টিকে আছে। তাদের এই ক্ষমতা আছে যে, তারা হরমুজ প্রণালি আটকে রাখতে পারে এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থার মতে তারা এর মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ধস নামাতে পারে।
সেক্ষেত্রে আসন্ন বিপদের ব্যাপারে অনুমান করা যাচ্ছে। তবে ইরানিয়ানদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ‘গোলপোস্ট’ বদল করে চলেছে।





