আর সরবরাহে বিঘ্নের প্রেক্ষাপটে ৭ বছর পর ইরান থেকে তেল কিনেছে ভারত। এছাড়াও হরমুজে জাহাজ চলাচলে ইরাককে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে ইরান।
ইলিনয়ের শিকাগোর একটি ফিলিং স্টেশনের দৃশ্য এটি। গ্যাসোলিন নিতে বাইরে ভিড় করেছেন ক্রেতারা। গেল সপ্তাহের তুলনায় প্রতি গ্যালন গ্যাসোলিনের দাম ১২ সেন্ট বেড়ে ৪ দশমিক ১ ডলার হওয়ায় ট্রাম্পের প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন ক্রেতারা।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের দাম বেড়েছে ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত। এরমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ায় সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৯২ ডলারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি গ্যালন গ্যাসোলিন। আর সর্বনিম্ন দাম ওকলাহোমায়, গ্যালন প্রতি ৩ দশমিক ২৯ ডলার।
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকরা বলছেন, সোমবারের মধ্যে আবারও অপরিশোধিত তেলের দাম ছাড়াতে পারে ১০০ ডলার। প্রণালীটি আংশিক বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানাচ্ছেন তারা। সিএনএনের দাবি, চলমান এই সংকটের আঁচ লেগেছে সবখানে। সাধারণ নিত্যপণ্য থেকে সেবা-ক্ষেত্র বিশেষে জ্বালানি নির্ভর সবকিছুর দাম বেড়েছে বা বাড়ার মতো অবস্থায় আছে।
দেখা যাচ্ছে, ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে চীনে নিত্যপণ্যের দামের সূচক বেড়েছে ৪ শতাংশ পর্যন্ত। আর গেল বছরের তুলনায় এই মূল্যবৃদ্ধি ১৪ শতাংশেরও বেশি। ডিজেল, মিথানল এবং ইথিলিন গ্লাইকলের পাশাপাশি বেড়েছে অন্তত ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের দাম।
এমন প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ সংকটের জেরে দীর্ঘ সাত বছর পর আবারও ইরান থেকে তেল কিনেছে ভারত। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানি তেল আমদানিতে অর্থ পরিশোধজনিত কোনো ধরনের জটিলতা নেই। এছাড়াও, তেহরান থেকে ৪৪ হাজার মেট্রিক টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস আমদানি করেছে নয়াদিল্লি। যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ইরান থেকে আর তেল নেয়নি ভারত।
এদিকে, ইরাকের জন্য বিশেষ ছাড় দিয়েছে ইরান। তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, হরমুজ প্রণালিতে আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ থেকে মুক্ত থাকবে বাগদাদ।





