প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি সমঝোতা স্মারকে সম্মত হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, যা স্থায়ীভাবে যুদ্ধ অবসানের পথ প্রশস্ত করবে।’ তবে বিমানগুলো ইসরাইলের বাইরে সরিয়ে নেয়া হবে নাকি দেশটির অন্য কোনো বিমানঘাঁটিতে স্থানান্তর করা হবে, সে বিষয়ে চ্যানেল ১২ সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেয়নি। এর আগে গত রোববার ইসরাইলের পরিবহন মন্ত্রী মিরি রেজেভ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, বিমানগুলো ইসরাইলি বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে পাঠানো হতে পারে।
রেজেভ জানান, বর্তমানে বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের ৭২টি রিফুয়েলিং বিমান অবস্থান করছে, যা বিমানবন্দরের পার্কিং এলাকার প্রায় অর্ধেক দখল করে রেখেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলার পর ওই অঞ্চলে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। ওই হামলায় ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। জবাবে ইরানও ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করে দেয়।
পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এরপর দুই দেশ যুদ্ধ শেষ করতে একটি রূপরেখা চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেয়। আগামী ১৯ জুলাই সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সই হওয়ার কথা রয়েছে।



 specialises in using seismological data to track nuclear tests-320x167.webp)

