আসন্ন ইসলামাবাদ বৈঠকে পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এ কাজটি করার চেষ্টা করবেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চারটি দেশেরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক আছে। পাকিস্তানের ইরানের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খোলা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সংবাদ সূত্রগুলোর বরাতে বলা হয়, পাকিস্তান এখন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে—যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা ইরানকে পৌঁছে দিচ্ছে এবং ইরানের দাবি নিয়ে ফিরে আসছে। চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা উভয় পক্ষের ওপর চাপ দিয়ে আলোচনায় বসার জন্য তাদের প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করবেন।
তবে পাকিস্তানে অনেকের ধারণা করছে, ট্রাম্প আসলে কথার মাধ্যমে সময় কাটাচ্ছেন। কারণ ইরানের ভেতরে স্থল সেনা নামানোর প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই চলছে ও সেনাবাহিনী পথে রয়েছে।





