তিনি জানান, একটি প্রাথমিক খসড়া ইতোমধ্যেই প্রস্তুত করা হয়েছে, যদিও এটি এখনো চূড়ান্ত বিল হিসেবে সংসদে উত্থাপিত হয়নি। তবে কর্মকর্তাদের দাবি, এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোকে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রদানের ব্যয়ভার মেটাতেই এই টোল সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে জাহাজের ধরন বা পণ্য অনুযায়ী টোলের পরিমাণ ঠিক কত হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই বিষয়ে দেশটির অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক এবং ভারতের মতো বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রগুলোর জাহাজ চলাচলের অনুরোধ ইরান ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।
আরাঘচি বলেন, ‘ইরানের কাছে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ নয় তবে এটি আমাদের শত্রুদের জন্য অবশ্যই বন্ধ রাখা হবে।’
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে ইরান যদি এককভাবে এখানে টোল আরোপ করে বা নির্দিষ্ট দেশের জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।





