জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এই ফাটল এতটাই গভীর যে, মার্কিন শক্তিনির্ভর রাজনীতির প্রতি আস্থা শুধু আমাদের মিত্রদের মধ্যেই নয়, বিশ্বজুড়েই নষ্ট হয়েছে।’
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টাইনমায়ার যিনি বর্তমানে মূলত আনুষ্ঠানিক দায়িত্বে রয়েছেন, তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনকে যদি লঙ্ঘন না বলা হয় তাহলে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি কোনোভাবেই বিশ্বের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠবে না।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আসন্ন হামলার যে যুক্তি এই যুদ্ধের জন্য দেয়া হয়েছে, তা সঠিক হবার ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।’
এ যুদ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ, ‘আত্মরক্ষার বিধান’ সেটা উল্লেখ করেছিল। মার্কিনিদের যুক্তি ছিল, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর জন্য সরাসরি হুমকি তৈরি করেছে।





