অগ্নিকাণ্ডের পর ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড যাচ্ছে গ্রিসে মেরামতে

ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডের ফ্লাইট ডেকের ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে একটি এফ/এ-১৮ই সুপার হর্নেট
ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডের ফ্লাইট ডেকের ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে একটি এফ/এ-১৮ই সুপার হর্নেট | ছবি: সংগৃহীত
0

মার্কিন বিমানবাহী রণতরী জেরাল্ড আর. ফোর্ড অগ্নিকাণ্ডের পর মেরামতের জন্য গ্রিক দ্বীপ ক্রিটের সৌদা উপসাগরে যাবে বলে জানিয়েছেন দুই মার্কিন কর্মকর্তা। তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধের ১৮তম দিনে, (মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ) মার্কিন কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে লোহিত সাগরে যাওয়ার আগে গ্রিসের এই বন্দরেই যাত্রাবিরতি করেছিল ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড। এটি পারমাণবিক বিদ্যুৎচালিত একটি জাহাজ যেখানে ৭৫টিরও বেশি যুদ্ধবিমান থাকতে পারে। যার মধ্যে এফ-১৮ সুপার হর্নেট এবং রাডার সংবলিত ই-২ হকআই বিমান অন্যতম। এর ক্রু সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি। যুদ্ধবিমান বহন ও দ্রুত হামলায় সক্ষম এই রণতরিটি বর্তমানে লোহিত সাগরে অবস্থান করছে।

ইরান যুদ্ধের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার অগ্নিকাণ্ড ঘটে এই মার্কিন রণতরিতে। প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর শনিবার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কর্মকর্তারা জানান, জাহাজের প্রধান লন্ড্রি এলাকায় আগুন লাগলে ধোঁয়ার কারণে প্রায় ২০০ নাবিককে চিকিৎসা দেয়া হয়। প্রায় ১০০টি শোয়ার জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন মেরামতের জন্য জাহাজটিকে গ্রিক দ্বীপ ক্রিটের সৌদা বে বন্দরে নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

এদিকে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের এত ঘাঁটি থাকলেও, চলমান সংঘাত বা উত্তেজনায় সেখানে দীর্ঘ সময় জাহাজ রেখে মেরামত করা ঝুঁকিপূর্ণ। সেদিক থেকে গ্রিস তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। তবে জাহাজটি ক্রিটে কতদিন থাকবে এ ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর আগে যুদ্ধজাহাজটি নয় মাস ধরে সাগরে মোতায়েন ছিলো। লোহিত সাগরে আসার আগে ক্যারিবীয় সাগরে ছিলো রণতরীটি। সেখানে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে এটি অংশ নেয়। যদিও ফের যুদ্ধের জড়ানোর জন্য রণতরীটি কতটা প্রস্তুত, প্রশ্ন আছে তা নিয়ে।

এএম