ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘ইরাকে তাদের উপস্থিতি কেবল সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ের অংশ। ইরান যুদ্ধ এ ধরনের হামলার যৌক্তিকতা হতে পারে না।’
তিনি আরও জানান, ফ্রিওঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন সেনা আহত হয়েছেন, তবে কোনো বিস্তারিত দেননি। ২০১৫ সাল থেকে ইসলামিক স্টেটবিরোধী আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে ওই অঞ্চলে ফরাসি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ হামলাসহ আরও কয়েকটির দায় স্বীকার করেছে ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’, যা ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জোট। যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইল ও ইরানের যুদ্ধের মধ্যে ইরাক ‘দ্বিতীয় যুদ্ধক্ষেত্রে’ পরিণত হয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করছেন।
আরও পড়ুন:
আল জাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা—এরবিলের কনস্যুলেট, বাগদাদের দূতাবাস ও বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে অবস্থিত ভিক্টরি ঘাঁটি—লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে।
এদিকে এএফপির খবরে বলা হয়, ইরাকের প্রো–ইরানি গোষ্ঠী আশাব আহল আল-কাহফ শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, ইরাক ও অঞ্চলে ফরাসি স্বার্থ লক্ষ্যবস্তু হবে। এর এক দিন আগে ফরাসি সামরিক বাহিনী জানায়, ইরাকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা হয়েছে এবং তাতে ছয় সেনা আহত হয়েছেন। তবে তারা ম্যাক্রোঁর উল্লেখ করা একই সেনা কি না, তা স্পষ্ট নয়। পৃথকভাবে ইতালি জানায়, এরবিলে তাদের সামরিক ঘাঁটিতেও রাতের বিমান হামলা হয়েছে; ন্যাটো সদস্যরা সেখানে অবস্থান করেন এবং কোনো সেনা আহত হননি।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়তে থাকায় ম্যাক্রোঁ এ সপ্তাহের শুরুতে ভূমধ্যসাগরে ফ্রান্সের প্রধান বিমানবাহী রণতরী শার্ল দ্য গোল এবং সাইপ্রাসে অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট মোতায়েনের ঘোষণা দেন।





