হামাস এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, গত ১০ অক্টোবর থেকে চলা যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই শর্ত লঙ্ঘন করছে।
নাসের হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, আল-মাওয়াসিতে পুলিশ চেকপোস্টে হামলায় চারজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বুরেজ শিবিরের প্রবেশপথে হামলায় আরও দুইজন নিহত হয়েছেন জানিয়েছে হাসপাতাল সূত্র।
এ হামলাকে গণহত্যামূলক যুদ্ধের ধারাবাহিকতা হিসেবে বর্ণনা করে নিন্দা জানিয়েছে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম। এদিকে আল জাজিরার প্রতিবেদক তারেক আবু আজুম জানান, গাজায় আইনশৃঙ্খলা বা জনজীবন পুনর্গঠনের যেকোনো প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করতেই পরিকল্পিতভাবে পুলিশ বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করছে ইসরাইল।
আরও পড়ুন:
এছাড়া, আগামী ১ মার্চের মধ্যে ৩৭টি আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাকে তাদের ফিলিস্তিনি কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইল। এ নির্দেশ পালন করা হলে কর্মীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে এবং মানবিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে জানিয়েছে সংস্থাগুলো।
এ সংকটে ত্রাণ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে গাজার সাধারণ মানুষ চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছে অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল।
এদিকে, গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি) রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ২৮৬টি ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে যার মধ্যে ১১২টি ছিলো ত্রাণবাহী। অথচ গাজায় দৈনিক অন্তত ৬০০ ট্রাক সাহায্যের প্রয়োজন। গাজার সীমান্ত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকলেও ইসরাইলি বিধিনিষেধের কারণে মাত্র কিছু সংখ্যক মানুষ সীমান্ত পার হতে পেরেছেন।
এছাড়া গাজার সীমান্ত কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জানিয়েছে, ৫০ জন ফিলিস্তিনি রাফাহ সীমান্ত দিয়ে মিশর ভ্রমণ করেছেন যার মধ্যে ১৩ জন রোগী ও ৩৭ জন সহযোগী ছিলো। তবে একই সময়ে ৪১ জন ফিলিস্তিনিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে সীমান্ত কর্তৃপক্ষ।





