স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হামলায় নারী ও শিশুসহ বহু বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। পাকতিকার এক বাসিন্দা আব্দুল্লাহ জান জানান, মধ্যরাতে বিমান থেকে বোমা নিক্ষেপ করা হয় এবং টিটিপি সদস্যদের উপস্থিতির অজুহাতে বাড়িঘর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
জেলা গভর্নর মিরজা আলি খান সাঈদ বলেন, ‘রাত ২টার দিকে দ্বিতীয় দফা হামলা হয় এবং বার্মাল জেলায় একটি ধর্মীয় স্কুলও ধ্বংস করা হয়েছে।’
অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার দাবি করেছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় সাতটি জঙ্গি ঘাঁটি ও আস্তানায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানায়, নিহতরা সন্ত্রাসী এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামাবাদ, বাজাউর ও বান্নু জেলায় সংঘটিত হামলার সঙ্গে আফগানিস্তানভিত্তিক নেতৃত্ব জড়িত থাকার প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে।
আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসন এ হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনার ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং সীমান্ত পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা কার্যত নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।





