কে পি শর্মা অলি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নেপালে এখন বইছে সংসদ নির্বাচনের হাওয়া। আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশটির জাতীয় পরিষদ বা পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষের ভোট। ১৯ সদস্যের মেয়াদ ৪ মার্চ শেষ হওয়ার আগেই ১৭ সদস্য নির্বাচিত করার লক্ষ্যে এই ভোট হয়। বাকি দুই সদস্যের মধ্যে একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। মন্ত্রী পরিষদের সুপারিশে আর একজনকে মনোনয়ন দিবেন দেশটির রাষ্ট্রপতি।
আরও পড়ুন:
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় পরিষদের শূন্য পদ পূরণের জন্য মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ৩৫ দিন আগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫৫০ জন প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য এবং ৭৫৩ জন স্থানীয় পর্যায়ের প্রধান ও ডেপুটিসহ মোট ২ হাজার ৫৬ জন ভোটারের ভোটে জাতীয় পরিষদের ১৭ সদস্য নির্বাচিত করা হবে। তবে ভোটারদের মধ্যে এবার ১৪টি পদ শূন্য রয়েছে।
এদিকে আগামী ৫ মার্চ হতে যাওয়া ২৭৫ আসনের প্রতিনিধি সভা বা জাতীয় নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসতেই প্রার্থীদের ভোটের লড়াই তুঙ্গে। এ অবস্থায় লাইমলাইটে ফিরতে মরিয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের চেয়ারম্যান কে পি শর্মা অলি।
মনজয়ের জন্য ঝাপা জেলার- ৫ নম্বর সংসদীয় আসনের জনগণের সম্মুখে প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে বিতর্কে অংশ নিতেও প্রস্তুত বলে বার্তা দিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী। তবে একই মঞ্চে বিতর্কে অংশ নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পার্টির নেতা এবং তরুণ প্রজন্মের আইডল খ্যাত র্যাপার বালেন্দ্র শাহ। অলির সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নেয়া মানে বিক্ষোভের সময় চালানো হত্যাকাণ্ডের বৈধতা দেয়ার শামিল বলেও মন্তব্য তার।





