ট্রাম্প বলেন, ‘১ ফেব্রুয়ারি থেকে আমরা কোনো স্যাঙ্কচুয়ারি শহর বা সেই শহরগুলোকে প্রশ্রয় দেওয়া রাজ্যগুলোকে কোনো অর্থ দেব না। তারা আমেরিকান নাগরিকদের সুরক্ষার চেয়ে অপরাধীদের রক্ষা করতেই বেশি আগ্রহী। এর ফলে জালিয়াতি ও অপরাধের মতো সামাজিক সমস্যাগুলো বাড়ছে।’
মূলত মিনেসোটায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি জালিয়াতির ঘটনার তদন্ত প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন। তিনি এ জালিয়াতির জন্য সোমালি আমেরিকানদের একটি অংশকে দায়ী করেন এবং দাবি করেন যে, সেখানে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের অভিযানের বিরুদ্ধে যেসব দাঙ্গা হয়েছে, সেগুলো ছিল সাজানো।
আরও পড়ুন:
প্রেসিডেন্টের এ ঘোষণার পরপরই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিউ ইয়র্কের শীর্ষ নেতারা। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো হুমকির মুখে তারা তাদের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবেন না।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল্যবোধ এবং আইন কোনো দর কষাকষির পণ্য নয়। ফেডারেল পর্যায় থেকে অর্থ বন্ধের হুমকি আসলেও আমরা নিউ ইয়র্কবাসীদের রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর।’
অন্যদিকে নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুলের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিপজ্জনক অপরাধীদের দমনে তারা ফেডারেল সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী, কিন্তু সাধারণ কর্মজীবী পরিবারগুলোর ওপর কোনো আক্রমণ তারা সহ্য করবেন না।
তিনি সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন যদি নিউ ইয়র্কবাসীদের প্রাপ্য অর্থ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে আমরা বিষয়টি আদালত পর্যন্ত নিয়ে যাব।’





