এ সময় তিনি জানান, ট্রাম্পের সামনে সম্ভাব্য সব বিকল্প উপায়গুলো খোলা আছে। তবে তিনি প্রথমে অবশ্যই কূটনীতিভাবে চেষ্টা করবেন। এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন আগামী সপ্তাহে ডেনমার্কের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
আরও পড়ুন:
এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের কাছে যদি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হয়, তাহলে প্রত্যেক দেশের প্রেসিডেন্টই সামরিক উপায়ে তা মোকাবিলা করার বিকল্প হাতে রাখবেন। তবে গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে গুরুত দেয়া হচ্ছে। ভেনেজুয়েলার নেতা মাদুরোকে আটকের পর গ্রিনল্যান্ড ইস্যু মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।’




