আল-জাজিরা জানিয়েছে, বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের খোঁজ মিললেও রাইসিকে নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সও বলছে, বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের সন্ধান পাওয়া যাওয়ায় রাইসিসহ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্যদের বেঁচে থাকার আশা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। বিবিসি বলছে, হেলিকপ্টারের সন্ধান মিললেও সেখানে 'প্রাণের অস্তিত্ব নেই'।
হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়ার পর রেডক্রিসেন্ট রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানিয়েছে, পুরো হেলিকপ্টারটি ভস্মীভূত হয়েছে। পরিস্থিতি ভালো নয়।
রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পিরহোসেন কলিভান্দ জানিয়েছেন, হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার জায়গা থেকে দুই কিলোমিটার দূরে আছে উদ্ধারকারী দল। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছাবে তারা।
তুর্কিয়ের একটি ড্রোন বিধ্বস্ত এলাকায় একটি হিট সোর্স সনাক্ত করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।
এদিকে এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় এবং বৈরি আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতায় বেগ পেতে হচ্ছে।
এরইমধ্যে অন্তত ৪০টি উদ্ধারকারী দল অংশ নিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রেড ক্রিসেন্ট। আর উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করতে ৪৭জনের বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে রাশিয়া।
তুর্কিয়ে ছাড়াও আর্মেনিয়া, সৌদি আরব ও ইউরোপীয় কমিশনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ উদ্ধারকাজে যোগ দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আর প্রার্থনায় মগ্ন হয়েছেন ইরানের সাধারণ মানুষ।
জানা গেছে, আজারবাইজান সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি জলাধার প্রকল্প উদ্বোধনের পর গতকাল রোববার স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এই হেলিকপ্টারে করে ফিরছিলেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। তার সঙ্গে ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির আবদোল্লাহিয়ানসহ অন্যান্যরা।



 Director-General Tedros Adhanom Ghebreyesus-320x167.webp)

