আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
0

পাম অয়েলের সঙ্গে বেড়েছে ইন্দোনেশিয়ার জৈব জ্বালানি সম্প্রসারণ প্রকল্পের খরচ

আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে জৈব জ্বালানির মিশ্রণে পাম অয়েল ব্যবহারের পরিমাণ ৩৫ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশে উন্নীত করছে ইন্দোনেশিয়া। তবে পাম অয়েলের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশটির এ সিদ্ধান্ত ভোক্তা, খুচরা বিক্রেতা এবং পাম অয়েলের উৎপাদকদের ব্যয় বাড়াতে প্রভাব রাখবে বলে মনে করছেন দেশটি জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইন্দোনেশিয়ার সরকার জৈব জ্বালানি (বায়োফুয়েল) ম্যান্ডেটকে সমর্থনের জন্য বায়োডিজেল বিক্রয়ে ভর্তুকি দিয়ে থাকে। তবে পাম অয়েলের দাম বাড়ায় জৈব জ্বালানি তৈরি এখন আরো ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। ইন্দোনেশিয়া জৈব জ্বালানির জন্য সরকারি ভর্তুকি তহবিল পাম অয়েল রপ্তানির ওপর শুল্কারোপ মাধ্যমে সংগ্রহ করে থাকে।

অয়েল পাম প্ল্যান্টেশন ফান্ড ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির তত্ত্বাবধানকারী কমিটির সদস্য দিদা গার্ডেরা জানিয়েছেন, পাম অয়েলের বর্তমান দাম ভর্তুকি মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আদায় করতে পারছে না। অর্থাৎ, পাম অয়েলের দাম বৃদ্ধির ফলে এই শুল্ক থেকে সংগৃহীত তহবিল সরকারের ভর্তুকি কর্মসূচির জন্য যথেষ্ট হচ্ছে নয়।

স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়া রপ্তানি শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে, যদিও তা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

এজন্য ইন্দোনেশিয়ার সরকার জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানি খরচ কমাতে দেশটির জৈব জ্বালানি (বি৪০ বায়োডিজেল) মিশ্রণে ব্যবহৃত পাম অয়েলের পরিমাণ ৩৫ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশে বাড়ানোর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। তবে কেবল পাবলিক সার্ভিস সেক্টরগুলো এ ভর্তুকি পাবে বলে জানা গেছে।

এএম