নিহত রিয়াদ করিমগঞ্জ উপজেলার জাফরাবাদ ইউনিয়নের মাঝিরকোনা গ্রামের বাসিন্দা ও জাফরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আব্দুর রশিদের ছেলে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে রিয়াদ ছিলেন চতুর্থ সন্তান।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রিয়াদের বন্ধু লিমন দত্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মেসেঞ্জারে তার মৃত্যুর সংবাদটি পরিবারকে জানান।
গত ২ মে রুশ সীমান্তে ইউক্রেনীয় বাহিনী ড্রোন হামলা চালায়। এতে রিয়াদসহ দুই বাংলাদেশি ও একজন নাইজেরীয় নিহত হন এবং আহত হয় আরও ৩ জন। এছাড়া লিমন নিজেও রাশিয়ায় একই ক্যাম্পে সেনা সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ড্রোন হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে একটি পা হারিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের দাবি, রিয়াদ গত বছরের অক্টোবর মাসে একটি কোম্পানির কাজের উদ্দেশে রাশিয়ায় যান। গত ৭ এপ্রিল তিনি রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তার ব্যাচ নম্বর ছিল ৭৩৫। তবে সেনাবাহিনীতে যোগদানের বিষয়টি পরিবার আগে থেকে জানত না।
নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘রিয়াদ যে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছে, তা আমাদের জানায়নি। জানলে আমি কখনোই তাকে সেখানে যেতে দিতাম না। এখন শুনছি ড্রোন হামলায় সব শেষ হয়ে গেছে।
জাফরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু সাদাৎ মো. সায়েম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি নিহত ব্যক্তির পরিবারের খোঁজ নিয়েছি। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতার সুযোগ থাকলে আমরা অবশ্যই তার ব্যবস্থা করব।’





