বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে নিউ ইয়র্কসহ পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলের সময়ের ব্যবধান ১১ ঘণ্টা। রোববার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দেওয়ার পর এ ব্যবধান কমে ১০ ঘণ্টায় দাঁড়াবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর মার্চের দ্বিতীয় রোববার থেকে নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পর্যন্ত ‘ডে-লাইট সেভিং টাইম’ কার্যকর থাকে। সূর্যালোকের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। ১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রে এ নিয়ম চালু হলেও ২০০৭ সাল থেকে বর্তমানের সময়সূচিটি নির্ধারিত হয়েছে।
আগামী রোববার রাত ১টা ৫৯ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডের পর ঘড়িতে রাত ২টা বাজার পরিবর্তে সরাসরি ৩টা বাজবে। অর্থাৎ, দেশটির মানুষ সেদিন এক ঘণ্টা কম ঘুমানোর সুযোগ পাবেন।
স্মার্টফোন, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত ডিজিটাল ডিভাইসগুলোতে সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হয়ে যাবে। তবে এনালগ ঘড়ি বা কিছু বিশেষ ডিভাইসের সময় ম্যানুয়ালি পরিবর্তন করতে হবে।
উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে হাওয়াই এবং অ্যারিজোনাতে (নাভাহো নেশন বাদে) এই নিয়ম কার্যকর নয়। এছাড়া পুয়ের্তো রিকো এবং ভার্জিন আইল্যান্ডসের মতো অঞ্চলগুলোও তাদের সময় পরিবর্তন করে না।
আগামী ১ নভেম্বর (রোববার) পর্যন্ত এই সময়সূচি কার্যকর থাকবে। সেদিন ঘড়ির কাঁটা পুনরায় এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে, যা ‘স্ট্যান্ডার্ড টাইম’ হিসেবে পরিচিত।





