ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ ইতালি। দেশটির অভিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে বড় অংশ জুড়েই আছেন বাংলাদেশিরা।
উন্নত জীবনযাত্রার আশায় ১৯৮০ সাল থেকেই ইতালিতে অভিবাসী হিসেবে পাড়ি জমিয়ে আসছেন স্বপ্নবাজ মানুষরা। গত কয়েক দশক ধরে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বাংলাদেশি অভিবাসী সংখ্যা। এতে প্রথম দশকে থাকা ২০০-৩০০ বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে এখন ছাড়িয়েছে দুই লাখ।
ইতালির শ্রমবাজারে সুনামের সঙ্গে কাজ করা ছাড়াও অনেকে গড়ে তুলেছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। রেমিট্যান্স পাঠিয়ে অবদান রেখে যাচ্ছেন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে।
ইতালি প্রবাসীদের একজন বলেন, ‘বাংলাদেশিরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে এখানে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মুদিখানার দোকান।’
আরেকজন বলেন, ‘সুনাম যদি আমরা ধরে রাখতে পারি তাহলে বাংলাদেশের কমিউনিটি আরো এগিয়ে যাবে।’
যাত্রার শুরুর দিকে অনেকেই অবৈধভাবে পাড়ি জমালেও, শ্রমিক ঘাটতি মেটাতে বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অসংখ্য কর্মী নিচ্ছে ইতালি সরকার। এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন অসংখ্য বাংলাদেশিও। এই যেমন, চলতি বছরও এক লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী নেয়ার পথে এগুচ্ছে রোম।
এ আওতায় নভেম্বরে আবেদনের প্রেক্ষিতে চলতি মাসের ৫,৭ ও ১২ তারিখের ক্লিক ডেতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের এক লাখ ৭৪ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশী। কৃষি ও পারিবারিক, সামজিক, স্বাস্থ্যসেবা খাতে কাজের সুযোগের প্রত্যাশায় আছেন বাংলাদেশিরাও।
ইতালির শ্রমবাজারে বিদেশি কর্মীর চাহিদা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যাও আগামীদিনগুলোতে আরও বাড়ার সম্ভাবনা ব্যাপক। এতে ইতালি থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে বলেও মনে করছেন প্রবাসীরা।