সৌদি সরকারের ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে নতুন রূপে সাজছে সারা দেশের সব বিনোদন কেন্দ্র। বিশেষ করে নিজেদের সমৃদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে জানাতে নেয়া হচ্ছে নানা ব্যবস্থা।
আরব উপদ্বীপের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে মানবসভ্যতার ইতিহাস ৬৩ হাজার বছরের পুরোনো। রাষ্ট্র হিসেবেও এর রয়েছে ৩শ' বছরের ইতিহাস। একবিংশ শতাব্দীতে এসে সৌদি আরবের ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থান ঘিরে আগ্রহ বাড়ছে অভিবাসী দর্শনার্থীদের।
রাজধানী রিয়াদে কিং আবদুল আজিজ এক্সিবিশন সেন্টারে প্রতিদিন সকাল থেকে নানা দেশের নানা বয়সের দর্শনার্থীদের দেখা মেলে। সৌদি নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, জাপান, জর্ডান, মিশর, ইয়েমেনসহ নানা দেশের মানুষ ব্যস্ততার মাঝে সময় বের করে জানতে আসেন ইতিহাস।
এক্সিবিশন সেন্টারের ভেতরে রয়েছে ইসলাম ধর্মের জন্মলগ্নের বিভিন্ন স্থানের নিদর্শন, মক্কা-মদিনা, মসজিদে কুবা, উহুদের ময়দান, জাবালে নূর, পাথরে খোদাই করা পবিত্র কুরআনের বাণী, পাথরে লেখা আরবি ভাষা, কবিতা, আরবি বর্ণমালা, সোনালী ছাপা অক্ষরে লেখা পবিত্র কুরআন শরীফ, নবীদের আমলে সংঘটিত বিভিন্ন যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র ইত্যাদি।
মরুর পাহাড়, দিগন্ত বিস্তৃত মরুভূমি, মহানবী হজরত মোহাম্মদ স. যেখানে আল্লাহ'র হেদায়েত প্রাপ্ত হয়েছেন, সেই ঐতিহাসিক হেরা পর্বতের গুহা, মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতকালীন ইতিহাস ইত্যাদি ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে এ তুলে ধরা হয়েছে এক্সিবিশন সেন্টারে।
সৌদি রাজপরিবারের ব্যবহৃত আসবাবপত্রও রয়েছে রিয়াদ এক্সিবিশন সেন্টারে। এখানে ঢুকতে লাগে না কোনা প্রবেশ ফি। তবে নিশ্চিত করা হয়েছে যথাযথ নিরাপত্তা। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্য দেখে সন্তোষ জানান আগত দর্শনার্থীরা।



; Prince Abdul Malik and Pengiran Raabatul Adawiyyah (right)-320x167.webp)

