Recent event

আধুনিক টার্মিনাল চালু হলেও সংকট কাটেনি পেট্রাপোল স্থলবন্দরে

0

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট, 'মৈত্রী দ্বার' ও আধুনিক টার্মিনালের উদ্বোধন হলেও নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় বিপাকে যাত্রীরা। যদিও ভারতীয় হাই কমিশন বলছে, গেল দুই সপ্তাহের তুলনায় বেনাপোল পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে যাত্রী পারাপার ইতিবাচকভাবে বেড়েছে। আর ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পেট্রাপোল বন্দর সফরের পর আবারও সচল ভারত ও বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম।

গেল রোববার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট, যাত্রী টার্মিনাল ট্রু ও মৈত্রী দ্বার উদ্বোধন করেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যদিও, আধুনিক টার্মিনাল ভবনসহ অন্যান্য স্থাপনার নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশি যাত্রীদের।

তবে, গেল দুই সপ্তাহের তুলনায় পেট্রাপোল-বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে যাত্রী পারাপার বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। ভারতীয় কাস্টমসের সূত্র বলছে, ১০-১৫ দিন আগে যেখানে ১ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতেন, চলতি সপ্তাহে তা প্রায় দু'হাজারে এসে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে অমিত শাহ'র পেট্রাপোল সফরের পর আবারও চালু হয়েছে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। পেট্রাপোল ল্যান্ড পোর্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন গড়ে ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ' পণ্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে বাংলাদেশে যাচ্ছে। চালু হয়েছে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচসহ জরুরি পণ্য রপ্তানিও।

আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের পাশাপাশি যাত্রী পারাপার কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তিতে পেট্রাপোল স্থলবন্দরের নিম্ন আয়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকার অটো ও ট্যাক্সি চালকদের আয়ের একটি বড় অংশ আসে ভারত-বাংলাদেশগামী যাত্রী পারাপার থেকে। চালকরা বলছেন, অনলাইনে ট্যাক্সি বুকিং চালু হলে যাত্রীদের পাশাপাশি তারাও লাভবান হবেন।

মূলত বাংলাদেশি পর্যটকদের বিশেষ পরিষেবা ও সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে পেট্রাপোল স্থলবন্দরে অবকাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ নেয় ভারত।

এখন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও ভিসানীতিতে ইতিবাচক কোনো পরিবর্তন আসলে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ যেমন বাড়বে তেমনি সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এএইচ