এ সময় ফান্ডের দুর্বলতা স্বত্বেও পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
গণমাধ্যমে কথা বলার আগে সকালে লিটল অ্যাঞ্জেলস সেমিনারি স্কুলে টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১৮ জেলার উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান যে কার্যক্রম শুরু করেছিল সরকার এরই মধ্যে ৮৫ শতাংশ টিকার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।
অন্যদিকে, ১২ এপ্রিল থেকে দেশের ৪টি সিটি করপোরেশন এলাকায় এ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। সেখানে এরই মধ্যে ৪০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।সব মিলিয়ে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে টিকা দেবার লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে পেরেছি। শুধুমাত্র ওষুধের ওপর নির্ভর করে সুস্থ থাকা সম্ভব নয়। মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মায়ের দুধ শিশুদের জন্য সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে এবং এটি বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন মেগান বলডিন, ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি প্রতিনিধি এম্মানিউলি এবরিউক্স, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের ডেপুটি প্রতিনিধি ডা. রাজেশ নরওয়েলসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা।





