ভারতীয় (দিল্লি) চিকিৎসক এস. রামাকৃষ্ণন জানিয়েছেন, প্রায় ৫০ শতাংশ হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে লিপিড প্রোফাইলের অস্বাভাবিক মাত্রা যুক্ত থাকে। বেশির ভাগ রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায়, তারা আগে কখনও এই পরীক্ষা করাননি বা এর কথা শোনেননি। চিকিৎসকেরা হার্টের রোগীর প্রথমেই লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন।
লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষার মাধ্যমে মূলত তিনটি পরীক্ষা করা হয়– এলডিএল (খারাপ কোলেস্টেরল), এইচডিএল (ভাল কোলেস্টেরল) এবং ট্রাইগ্লিসারাইড।
- এলডিএল: ১০০ এর বেশি হলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
- এইচডিএল: ৪০ এর বেশি থাকা উচিত। নিয়মিত ব্যায়াম ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে বৃদ্ধি সম্ভব, ওষুধ নেই।
- ট্রাইগ্লিসারাইড: ২০০ এর নিচে থাকা ভালো। অতিরিক্ত চিনি, তৈলাক্ত খাবার এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কারণে বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
চিকিৎসকেরা কখনও কখনও এক্সটেনডেড লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষার পরামর্শ দেন, যাতে লাইপোপ্রোটিনের মাত্রাও জানা যায়। এর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া মানেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
সাধারণভাবে ২০–২৫ বছর পার হওয়ার পর প্রতি পাঁচ বছর অন্তর, আর ৪০ বছর পার হলে বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলছেন, নিয়মিত পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে হার্টের ঝুঁকি অনেকটা কমানো সম্ভব। তাই নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন না হলে যে কোনো বয়সেই হৃদরোগ থাবা বসাতে পারে।





