জকসু। বিশ বছরের অপেক্ষার অবসান। নানা নাটকীয়তা পেরিয়ে অবশেষে উৎসবমুখর পরিবেশে অধিকার আদায়ের ভোটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
গতকাল (মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি) দিনভর ভোট উৎসবে অংশ নেন মোট ১১ হাজার ৮৩৩ জন শিক্ষার্থী। যা মোট ভোটারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। তাই দিন শেষে ছিল ফল ঘোষণার প্রতীক্ষা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ছয়টি ওএমআর মেশিনে শুরু হয় ভোট গণনা । একই ব্যালটের তিনটি পাতা দিয়ে আরও তিনটি মেশিনে যাচাই করা হয় ফল। তবে যাচাইয়ে একটি ভোটের পার্থক্য ধরা পড়ায় জটিলতায় পড়ে নির্বাচন কমিশন। কারণ বুঝতে না পারায় সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয় গণনা।
আরও পড়ুন:
গলদ খুঁজতে ভিপি ও জিএস প্রার্থীদের নিয়ে জরুরি বৈঠকের ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার রাত দশটার দিকে ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে কমিশন। দীর্ঘ বৈঠক শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানান প্রার্থীরাই।
বামজোট সমর্থিত প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী ইভান তাহসীব বলেন, ‘দীর্ঘ আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত আমরা এ সিদ্ধান্তে একমত হই যে, এখন যে ভোট গণনা হবে তা শুরু হবে একটি মেশিন ধরে। আমরা ম্যানুয়ালি এবং মেশিনের মাধ্যমে দুইভাবেই ভোট গণনা যাচাই করব। যাচাই করার মধ্যে দিয়ে যদি আমরা একমত হতে পারি সঠিক ফল আসে তাহলে সেই মেশিন ধরেই প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল গণনা করা হবে।’
মঙ্গলবার রাত পৌনে একটায় নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৭৮টি ভোট হাতে গণনার কাজ শুরু হয়। এরপর ওএমআর মেশিনের সঠিকতা নিশ্চিত করে চলে বাকি ভোটের পূর্ণাঙ্গ গণনা





