এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘শিক্ষার ভিত্তি তৈরি হয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে, তাই এখানেই নজরদারি বাড়াতে হবে। সঠিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ছাড়া শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার মতো আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীরও প্রিয় বিষয় শিক্ষা। দুইজনের নেতৃত্বে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। প্রধানমন্ত্রী প্রতি শনিবার শিক্ষা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা করেন। সারা সপ্তাহের কাজের অগ্রগতি তার কাছে উপস্থাপন করতে হয়।’
শিক্ষা খাতে গতি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন:
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি ও অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘দাবি ও অভিযোগ থাকবেই, এটি সম্পূর্ণভাবে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে যেসব দাবি যৌক্তিক, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। কাউকে বঞ্চিত করা যাবে না। আমি আশা করছি, এবার বাজেট বৃদ্ধি পাবে। যৌক্তিক অভিযোগগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’
মন্ত্রণালয়ের কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোর মিশন ও ভিশন কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। অতীতে অবকাঠামো উন্নয়নে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেয়া হলেও এখন থেকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ জোর দেয়া হবে।’
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।





