মন্ত্রণালয়ের অবস্থান ও আইনি পদক্ষেপ (Ministry's Decision and Legal Steps)
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের এই নির্দেশনার বিষয়টি তারা অবগত আছেন। তবে নির্দেশনার অফিশিয়াল কপি হাতে পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল (Appeal against HC order) করা হবে নাকি নির্দেশনা মেনে স্কুল বন্ধ রাখা হবে, তা নিয়ে আজ সোমবার একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খুব দ্রুতই ছুটির বিষয়ে নির্দেশনা (Notification for School Closure) জারি করা হতে পারে।
আরও পড়ুন:
কেন রমজানে স্কুল বন্ধের নির্দেশনা? (Reasons behind School Closure)
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল এবং অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। রিটে যে বিষয়গুলো গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে:
ধর্মীয় আচার চর্চা (Religious Practices): পবিত্র রমজান মাসে রোজা রেখে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত এবং ক্লাস করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এতে তাদের রোজা রাখার অভ্যাসে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
সংবিধান ও প্রথা (Constitution and Traditions): স্বাধীনতার পর থেকেই রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা একটি প্রতিষ্ঠিত প্রথা ও নীতি (Tradition and Policy)। সংবিধানের ৩১ ও ১৫২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই প্রথা আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন।
যানজট নিরসন (Traffic Jam Reduction): রমজান মাসে স্কুল খোলা রাখলে বড় শহরগুলোতে তীব্র যানজটের (Severe Traffic Congestion) সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দেয়।
ছুটির নোটিশ নিয়ে যা বলছে কর্তৃপক্ষ (Official Update on Vacation Notice)
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (Ministry of Primary and Mass Education) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় (Ministry of Education) জানিয়েছে, আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার পর তারা আইনি দিকগুলো বিশ্লেষণ করে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করবেন। যদি মন্ত্রণালয় আপিল না করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে দু-এক দিনের মধ্যেই স্কুল বন্ধের সরকারি আদেশ (Government Order for School Holiday) জারি হবে।
আরও পড়ুন:
বিষয় (Topic)
বিস্তারিত তথ্য (Detailed Information)
আদালতের নির্দেশনা (Court Order)
পুরো রমজান মাস সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখা।
অফিশিয়াল চিঠি (Official Notice)
মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত ও হাইকোর্টের কপি পাওয়ার পর জারি হবে।
মন্ত্রণালয়ের সভা (Ministry Meeting)
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বা ছুটির বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা।
বন্ধের প্রধান কারণ (Key Reasons)
ধর্মীয় আচার চর্চা, যানজট নিরসন এবং দীর্ঘদিনের প্রচলিত প্রথা রক্ষা।
আইনি ভিত্তি (Legal Basis)
সংবিধানের ৩১ ও ১৫২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রীতিনীতি রক্ষা।
বর্তমান অবস্থা (Current Status)
মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় (Pending Decision)





